বিশেষ প্রতিনিধি : মাওলানা সাইফুদ্দিন মানিক
Read Moreকওমি সনদের সরকারি স্বীকৃতির কার্যক্রম কতদূর?
Read Moreবঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামের শেষে রহমতুল্লাহি আলাইহি যোগ করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগ।
Read Moreবিশেষ প্রতিনিধি :- মাওলানা সাইফুদ্দিন মানিক
Read Moreমংলা ও রামপালে গ্রাহকদের ৩ কোটি টাকা নিয়ে উধাও এনজিও চলন্তিকা
Read More



চলতি বছরের হজযাত্রার নবম দিনে রোববার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কয়েকটি ফ্লাইটের শিডিউল পরিবর্তনের ঘটনা ঘটেছে। এতে সংশ্লিষ্ট হজযাত্রীদের কিছুটা দুর্ভোগের শিকার হতে হয়েছে। তবে বিমানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সৌদি আরব থেকে যথাসময়ে বিমান ঢাকায় না পৌঁছানোসহ বিভিন্ন কারণে কয়েকটি ফ্লাইটের ‘শিডিউল রিভাইস’ করা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট হজযাত্রীদের আগেই জানিয়ে দেওয়ায় কোনো সমস্যা হয়নি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গত বছরের মতো এবারের ঈদু-উল-আজহাতেও গবাদিপশুর খামারগুলোতে স্বাস্থ্যহানিকর রাসায়নিক দ্রব্যের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে ল্যাবরেটরি-পরীক্ষার ব্যবস্থা রাখবে প্রাণিসম্পদ অধিদফতর। এছাড়া প্রাণিস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর স্টেরয়েড ও হরমোন জাতীয় ওষুধের বিক্রয় ও সরবরাহ নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ ব্যবস্থা নেবে।এ বছর কুরবানির হাটে পশুর প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য প্রতিটি ছোটহাটে অন্তত ১টি, বড়হাটে ২টি করে এবং ঢাকার গাবতলীহাটে ৪টি মেডিকেল টিম থাকবে। এছাড়া নির্দিষ্টস্থানে কুরবানিকরণসহ ময়লাবর্জ্য যত্রতত্র না ফেলা এবং কুরবানির আগে-পরে ঢাকা সিটির পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে ঢাকা সিটির দুই কর্পোরেশনের সহযোগিতায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সর্বাত্মক ব্যবস্থাগ্রহণ করবে।
ফাইল ছবিসৌদি আরব থেকে এবার দেশে ফিরলেন ৩৪ নারী এবং ৬২ পুরুষ শ্রমিক। শনিবার রাত সাড়ে ৯টায় এয়ার এরাবিয়ার একটি ফ্লাইটে ১৮ জন এবং রাত সাড়ে ১০টায় সৌদি এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ১৬ জন নারী ও ৬২ জন পুরুষ শ্রমিক দেশে ফিরে এসেছেন।
আলকোরআনে সরাসরিভাবে যাদেরকেচিরস্হায়ী জাহান্নামী ঘোষনা দেওয়া হয় যারা কোনদিন মুক্তি পাবে না। লেখক:- মাওলানা সাইফুদ্দিন মানিক
Read Moreকোরআন রাজনীতির শ্রেষ্ঠ বই। লেখক:- মাওলানা সাইফুদ্দিন মানিক
Read Moreলেখক:- হজরত মাওলানা সাইফুদ্দিন মানিক
Read More
মদ নারী তাশ এই তিনেই সর্বনাশ। আর এই সর্বনাশা খেলার রমরমা মেলা এখন রাজধানী ঢাকার বেশ কিছু আবাসিক হোটেল। সেখানে সাজানো হচ্ছে নারী দেহের পসরা। প্রশাসনের চোখের সামনেই চলছে এমন রমরমা ব্যাবসা।রাজধানী ঢাকার করওয়ানবাজার, মহাখালী, ফকিরারপুল, মগবাজার, গুলশান, পুরান ঢাকার অসংখ্য আবাসিক হোটেল গুলো পরিণত হয়েছে এইসব কর্মকান্ডের আখরা্য়। রাজধানীর টপটেরররদের চাদাবাজি, মাদক, নারী ব্যাবসা নিয়ন্ত্রিত হয় এই সব হোটেল থেকেই।
রাজধানীর একটি পশুর হাট-ফাইল ছবিপবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে বসবে ২১টি পশুর হাট। হাটগুলোয় কোটি মানুষের সমাগম আর হাজার হাজার কোটি টাকার লেনদেন হবে। তাই সবকিছু মাথায় রেখে এবার রাজধানীর পশুর হাটে নিñিদ্র নিরাপত্তার পরিকল্পনা করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। হাটের শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে এবার সমন্বিতভাবে কাজ করবে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি), আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) ও র্যাব।
বিজ্ঞাপন
মাওলানা সাইফুদ্দিন মানিক এর নিজস্ব ওয়েব সাইট যাতে রয়েছে
যারা ভোগেন কেবল তারাই বোঝেন এটি কত যন্ত্রণার। একটু ভাজাপোড়া অথবা দাওয়াত, পার্টিতে মসলাযু্ক্ত খাবার খেলে তো শুরু হয়ে যায় অস্বস্তিকর গ্যাসের সমস্যা। ফাস্ট ফুড, ব্যস্ত জীবনযাত্রার যুগে গ্যাস, পেটের অসুখ এখন ঘরোয়া রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেকোনো বাসায় গেলেই গ্যাস্ট্রিকের ১ পাতা ওষুধ অবশ্যই পাওয়া যায়। তবে কী গাদা গাদা গ্যাসের ওষুধে এ সমস্যা দূর হয়! কিন্তু ঘরোয় কিছু উপায় আছে যেগুলি প্রয়োগ করলে গ্যাস, বুক জ্বালা থেকে সহজেই বাঁচা যায়।১. শসা : শসা পেট ঠাণ্ডা রাখতে অনেক বেশি কার্যকরী খাদ্য। এতে রয়েছে ফ্লেভানয়েড ও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান যা পেটে গ্যাসের উদ্রেক কমায়।২. দই : দই আমাদের হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এতে করে দ্রুত খাবার হজম হয়, ফলে পেটে গ্যাস হওয়ার ঝামেলা দূর হয়।
আপনি কি প্রায়ই অ্যান্টাসিড ওষুধ খেতে খেতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন? পাকিস্থলির গ্যাস্ট্রিক গ্ল্যান্ডে অতিরিক্ত এসিড নিঃসরণ হলে পেটে অ্যাসিডিটি বা গ্যাসের সমস্যা সৃষ্টি হয়। সাধারণত খাবার খাওয়ায় দীর্ঘ বিরতি, খালি পেটে থাকা বা অতিরিক্ত চা, অ্যালকোহল বা কফি পানের কারণে পেটে গ্যাসের সমস্যা সৃষ্টি হয়। এছাড়া মশলাদার খাবার খাওয়া, ভাজা-পোড়া খাবার, খাবার খাওয়ায় অনিয়ম, অতিরিক্ত মদপান, স্ট্রেস, ধুমপান, রাতে ঘুামনোর সময় খাবার খাওয়া, খাবার খাওয়ার পরপরাই শুয়ে পড়া প্রভৃতি কারণেও পেটে গ্যাস হতে পারে। গ্যাসের কারণে পেট ফুলে যাওয়া, বুকে জ্বালা-পোড়া, হেঁচকি ওঠা, ঢেকুর এবং ওগরানোর মতো সমস্যা হতে পারে। তবে এমন ১০টি ঘরোয়া ওষুধ রয়েছে যেগুলো আপনাকে গ্যাস-অম্বলের সমস্যা থেকে চিরদিনের জন্য মুক্তি দিতে পারে।১. কলাএতে আছে প্রচুর পটাশিয়াম এবং প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড যা এসিড রিফ্লাক্সের বিরুদ্ধে একটি বাফার বা প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। প্রতিদিন একটি করে কলা খেলেই আপনার আর কখনো গ্যাস-অম্বলের সমস্যা হবে না।
আপনি খুব ভালো করেই জানেন যে লিভার দেহের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। যার কাজ হলো দেহে প্রবেশ করা টক্সিন বা বিষ বর্জ্যে রূপান্তরিত করা। যে বর্জ্য পরে প্রস্রাব ও পায়খানার সঙ্গে বের হয়ে আসে। আর এটা খুবই জরুরি একটি কাজ। কেননা খাদ্যের সঙ্গে আমাদের দেহে প্রচুর পরিমাণে টক্সিন প্রবেশ করে।তবে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লিভারের কর্মক্ষমতা কমে আসতে থাকে। অথবা কোনো ভাইরাস বা রোগের কারণেও লিভারের কার্যক্ষমতা কমে আসে। ফলে দেহ থেকে যথাযথভাবে টক্সিন বের করে দেওয়ায়ও অক্ষম হয়ে পড়ে সেটি।তখন এসব ক্ষতিকর টক্সিন চর্বি হিসেবে পেটে জমা হয়। লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমা হলে ফ্যাটি লিভার রোগ সৃষ্টি হতে পারে। লিভার প্রাকৃতিকভাবেই একটি চর্বিবহুল অঙ্গ। আর লিভারে সব সময়ই কিছু না কিছু চর্বি থাকা উচিত।
শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, জাপান বাংলাদেশের একক বৃহত্তম উন্নয়ন অংশীদার। শুধু আর্থিক ক্ষেত্রেই নয়, কারিগরি, শিক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জাপান বাংলাদেশকে সহযোগিতা করছে। দেশকে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে জাপানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে হবে।জাপানকে বাংলাদেশের খুবই ঘনিষ্ট বন্ধু উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় জাপানের সংবাদ মাধ্যম মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। স্বাধীনতার পরপরই জাপান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। তখন থেকেই জাপানের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগ জাপান সম্পর্কে জানার এবং আরো ঘনিষ্ট হওয়ার সুযোগ তৈরি করে দেবে। 



বিভিন্ন পদে ১৩৪ জন লোক চেয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। আবেদনের শেষ তারিখ ২৮ জুলাই। বিস্তারিত জানাচ্ছেন রায়হান রহমান পরিসংখ্যান তদন্তকারী পদে ২৩ জন, থানা পরিসংখ্যানবিদ পদে ১ জন, পরিসংখ্যান সহকারী পদে ৩৮ জন, ইনুমারেটর (তথ্য সহকারী) পদে ১ জন, জুনিয়র পরিসংখ্যান সহকারী পদে ৬৪ জন, জুনিয়র অপারেটর পদে ৩ জন ও বুকবাইন্ডার পদে ৪ জন নিয়োগ দেবে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। লক্ষ্মীপুর ও দিনাজপুর বাদে অন্য জেলার প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। বিজ্ঞপ্তিটি ছাপা হয়েছে৮ জুলাই ইত্তেফাকে (পৃ. ৬)। পাওয়া যাবে http://bbs.teletalk.com.bd/doc/Advertisement.pdfও http://bit.ly/2NekSAy লিংকে। এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে আবেদন প্রক্রিয়া। অনলাইনে আবেদন করতে হবে http://bbs.teletalk.com.bd/apply.php লিংকে। আবেদন করা যাবে ২৮ জুলাই পর্যন্ত।
মডেল : নিধি, অন্তর, সিনিন, ছবি : ইয়ামিন মজুমদারঅ- অ অ+হাউস প্যারেন্ট কাম টিচার পদে ১৩ জন, সাঁটলিপিকার কাম কম্পিউটার অপারেটর ১০ জন, ফিল্ড সুপারভাইজার ৫০ জন, সমাজকর্মী (ইউনিয়ন) ৪৬৩ জন, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক ১৫৭ জন, গাড়িচালক ১২ জন এবং অফিস সহায়ক পদে ২৫৫ জন নিয়োগ পাবে। হাউস প্যারেন্ট কাম টিচার পদে নিয়োগ দেওয়া হবে অস্থায়ী রাজস্ব খাতে ও বাকি সব পদে স্থায়ী রাজস্ব খাতে। পদ অনুসারে নিয়োগপ্রাপ্তদের কর্মস্থল হবে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীনস্থ কার্যালয়ে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি ছাপা হয়েছে ১১ জুলাই বাংলাদেশ প্রতিদিন ও যুগান্তরে। পাওয়া যাবে www.dss.gov.bd ওয়েবসাইটে ও bit.ly/2L0LrfQ লিংকে। 
বিজ্ঞাপনটি ডাউনলোড করতে ডাউনলোড বাটনে চাপুন
Suhag HasanAdd Comment







অডিট অফিসার পদে নিয়োগ দেবে পূবালী ব্যাংক
B@ngl@cyber
B@ngl@cyber



এই অজানা ‘বস্তুটি’ প্রথম আবিষ্কার করেন,হনলুলুর হাওয়াই বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিজ্ঞানী রব ওয়েরিক।অস্থায়ীভাবে এটার নাম রাখা হয়েছে ‘এ/২০১৭/ইউ১’।বস্তুটি ২৫.৫ কিলোমিটার প্রতি সেকেন্ডে ছুটে চলছে। এর প্রচণ্ড গতি দেখে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, এটা ধূমকেতু বা কোনো গ্রহাণু নয়।নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরির ট্রাজেক্টরি বিশেষজ্ঞ ডেভিড ফারনোচ্চিয়া বলেন, ‘আমি যত কক্ষপথ পরিভ্রমণকারী দেখেছি, তার মধ্যে এটাই চরম’।নাসার পক্ষ থেকে বিবৃতিতে বলা

এই ধারনার প্রবর্তক হলেন মহান বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন। তিনি আমাদের চারপাশের স্থানকে একটি চাদরের সাথে তুলনা করেছেন এবং বলেছেন ভরসম্পন্ন বস্তু এই স্থান-কালের মধ্যে বিকৃতি ঘটায় এবং এটাকে খানিকটা নিচের দিকে সংকুচিত করে ফেলে। যেই বস্তুর ভর বেশি সেটা বেশি সংকোচন ঘটায় এবং চারপাশের বস্তুসমুহ এর দিকে বেশি আকর্ষণ অনুভব করে যেহেতু সংকোচন যত বেশি ঢালুর পরিমাণও তত বেশি। এই স্থান-কালকে(Space Time) আইনস্টাইন বস্তুর চতুর্থ মাত্রা হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন। যেখানে স্থান এবং সময় জড়িয়ে এক হয়ে গেছে। বস্তুর অন্য তিনটি মাত্রা হলো দৈর্ঘ্য,প্রস্থ এবং উচ্চতা।সময় হলো বস্তুর পঞ্চম মাত্রা। সময় আসলে পরম কিছু নয়,এটিও আপেক্ষিক এরও বিকৃতি ঘটানো সম্ভব। এগুলোই ছিলো মুলত আইনস্টাইন এর আপেক্ষিক তত্তের মুল বিষয়-বস্তু। অর্থাত্ আমরা যদি কোনদিন পঞ্চম মাত্রায় যেতে পারি তবে আমরাও দৈর্ঘ্য,প্রস্থ উচ্চতার মতো সময়কেও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবো।ইচ্ছে করলেই ভবিষ্যতে চলে যেতে পারবো বা অতীতেও ফিরে যেতে পারবো। তো এতক্ষণে আমরা মহাকর্ষ এবং এর উৎপত্তি নিয়ে আইনস্টাইন এর ধারনাটা আলোচনা করছিলাম।কিন্তু এটাকে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে এর পক্ষে প্রমান দরকার। এইটা পরীক্ষা করে দেখা দরকার যে আসলেই বস্তুর ভর তার চারপাশের স্থান-কালকে বাকিয়ে দেয় কিনা? আইনস্টাইনের জেনারেল থিওরি অফ রিলেটিভিটি তে ১৯১৫ সালে তিনি এই ধারনাটা প্রথম উপস্থাপন করেন। তখন খুব অল্পসংখ্যক মানুষ ছাড়া কেউ এই তত্ত্বকে স্বীকার করেনি।অর্থাত্ এটি প্রমাণ করার দরকার ছিল। কিন্তু বাহ্যিকভাবে আমরা এটাকে প্রমাণ করার কোনো উপায়ই দেখিনা। তাই এটিকে প্রমাণ করার জন্য এই স্থান কালের সংকোচন থেকেই একটি তত্ত্ব সামনে এলো,একে বলা হয় গ্যাভিটেশনাল লেন্সিং।আমরা জানি আলো সরলপথে চলে।আসলে আলো স্থান কালের মধ্যে দিয়েই সরল পথে চলে।এখন যদি এমন হয় যে আলোর চলার পথটিই বাঁকা হয়ে গেলো?তাহলে নিশ্চয়ই আলোও বাকা হয়ে যাবে?? আসলে সত্যিকারে তাই হয়। নিচের চিত্র খেয়াল করুন-
চিত্র:গ্র্যাভিটেশনাল লেন্সিং চিত্রে আমাদের সৌরজগত, এবং সুর্যের পিছনে একটি অন্য নক্ষত্র দেখা যাচ্ছে। এখন নক্ষত্রটি যেহেতু সুর্যের ঠিক পিছনে,তাই আমাদের এটা দেখার কথা নয়?নক্ষত্রটা জলন্ত, অর্থাত্ এর আলো আমাদের দিকে আসছে,সরলপথে। কিন্তু মাঝখানে সুর্যের অতিরিক্ত ভরের কারনে স্থান-কাল বেঁকে গেছে।অর্থাত্ পিছনের নক্ষত্রটির আলো এইপর্যন্ত এসে এরপর বেঁকে যাওয়ার কথা।অর্থাত্ নক্ষত্রটি পৃথিবীর সোজাসুজি না হলেও আমরা এর আলো দেখা উচিত?? সত্যিকার অর্থে তাই হয়,কিন্তু সুর্যের অতিরিক্ত আলোর কারনে এই আলো আমরা দেখতে পাইনা। কিন্তু আপেক্ষিক তত্ত্ব প্রমান করার জন্য এটা জরুরি!আমাদের যেকোনো ভাবেই হোক,পিছনের নক্ষত্রটাকে দেখতেই হবে। ঠিক এটাই হয় ১৯১৯ সালে সুর্যগ্রহনের সময়। চাঁদ এবং সুর্য একই সরলরেখায় চলে আসার কারনে চাঁদের কারনে সুর্য আধারে ঢেকে যাওয়াকে সুর্যগ্রহন বলে। গ্রহনের মাঝামাঝি সময়ে যখন সুর্য চাঁদ দ্বারা সম্পুর্ন ঢেকে যায় তখন পৃথিবীতে আধার নেমে আসে,আর এই সময়টাই পিছনের নক্ষত্রটাকে দেখার উত্তম সময়!! ১৯১৯ সালে ব্রাজিলে এই ঘটনাটিই ঘটে। সুর্য ঢেকে যাওয়ার পর আংশিক আধারে দেখা মিলে কাঙ্ক্ষিত নক্ষত্রটি,প্রমান হয়ে যায় আইনস্টাইন এর আপেক্ষিক তত্ত্ব। মহাকর্ষকে মানুষ নতুন করে চিনতে শুরু করে। যেই মানুষটি এই পরীক্ষাটি সম্পন্ন করেছিলেন তার নাম হলো স্যার আর্থার এডিংটন।
চিত্র:স্যার আর্থার এডিংটনআপেক্ষিককতা প্রমাণ হওয়ার পর আইনস্টাইন রাতারাতি নায়ক বনে যান। বিভিন্ন জায়গা থেকে সংবর্ধনা পেয়ে থাকেন। এবার আমাদের আলোচনার বিষয়ে ফিরে আসি। ভরের আধিক্যের কারনে স্থান-কালের এরকম বেঁকে যাওয়ার জন্যই ব্ল্যাকহোলের সৃষ্টি। যেই নক্ষত্রগুলো পরবর্তীতে ব্ল্যাকহোল হতে পারে তাদের ভর এত বেশি হয় যে তারা স্থান-কালের মধ্যে অসীম পরিমাণ গর্ত সৃষ্টি করে এবং কোনো বস্তুই এর ভেতর থেকে বের হতে পারে না।এগুলো নিয়ে পরের পর্বে আলোচনা করবো তার আগে আমাদের নিজেদের সসীম মহাকর্ষ নিয়ে আলোচনা করেই পর্ব শেষ করছি। এতক্ষণে আমরা মহাকর্ষ সম্পর্কে জেনেছি,কোনো ভারি বস্তু যে তার আশে পাশের বস্তুসমুহকে কেন আকর্ষণ করে তা জেনেছি।এখন একটা উদাহরণ কল্পনা করা যাক-
পৃথিবী কতৃক তার আশেপাশের স্থান কালের সংকোচনের কারনেই চাঁদ পৃথিবীর চার পাশে প্রদক্ষিন করতে থাকে এবং পৃথিবী থেকে দুরে ছিটকে যায় না। এখন প্রশ্ন হল চাঁদ তাহলে পৃথিবীতে পড়ে যায় না কেন?? এর উত্তরটা খুবই সহজ,তা হলো চাঁদ যখন পৃথিবীকে প্রদক্ষিন করতে থাকে তখন এর মধ্যে দুইটা বলের সৃষ্টি হয়। একটি কেন্দ্রমুখী বল(Centripital Force) আরেকটি কেন্দ্রবিমুখী বল(Cenrifugal Force) যা তাকে কেন্দ্রের থেকে দুরে ঠেলে দেয়। এই কেন্দ্রবিমুখী বলের কারনেই চাঁদ পৃথিবীতে আছড়ে পড়ে না। এতক্ষণে নিশ্চয়ই কৃষ্ণগহ্বর সৃষ্টির কারটা বুঝে গেছেন? আজকে এপর্যন্ত সীমাবদ্ধ রাখছি। আগামী পর্বে কৃষ্ণগহ্বর সৃষ্টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবোPost Related Things: ব্ল্যাক হোল কি, ব্লাক হোল রহস্য, ব্লাক হোল কে আবিষ্কার করেন, ব্ল্যাক হোল তথ্য, কৃষ্ণগহ্বর কি, black hole, black hole কি, কৃষ্ণগহ্বর
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট Bangabandhu-1 সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যনির্মাতা প্রতিষ্ঠান: ৩.৭ টন ওজনের বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটটির ডিজাইন এবং তৈরি করেছে ফ্রান্সের কোম্পানি থ্যালাস অ্যালেনিয়া স্পেস। স্যাটেলাইটের কাঠামো তৈরি, উৎক্ষেপণ, ভূমি ও মহাকাশের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, ভূ-স্তরে দুটি স্টেশন পরিচালনার দায়িত্ব এ প্রতিষ্ঠানটির।